বরিশাল ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা বিভাগ বরিশাল, জেলা পটুয়াখালী বরিশালের উজিরপুরে ক্লাস চলাকালে শিক্ষকের মাথায় ছাদের পলেস্তারা লোডশেডিংয়ে দিশেহারা বরিশালের মানুষ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল গৌরনদীতে পাচারকালে ১৫ বস্তা সার জব্দ, ডিলারকে জরিমানা সূর্যাস্তের পর শিক্ষার্থীদের আড্ডা নিষেধ, সন্ধ্যার আগেই শেষ করতে হবে কোচিং স্বর্ণপদকের স্বপ্ন নিয়ে চীনের পথে পটুয়াখালীর রাইয়ান আগৈলঝাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধে রাতের আঁধারে ৫ শতাধিক ফলজ গাছ কাটার অভিযোগ ঝালকাঠিতে হাসপাতাল থেকে ডেকে নিয়ে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ গৌরনদীতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হাঁটু মেঝেতে, জানালার গ্রিলে বাঁধা ছিল মরদেহ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র : তথ্যমন্ত্রী

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা বিভাগ বরিশাল, জেলা পটুয়াখালী

Agailjhara Post
  • ০৬:৪৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 8

জুলাই মাসে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে বরিশাল বিভাগ প্রথম স্থান অধিকার করেছে। নিবন্ধন কার্যক্রম লক্ষ্যমাত্রার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ কাজ করে তারা এক নম্বরে চলে এসেছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৪৮৯৬টি ও ৫০৬৪টি; যার মধ্যে অর্জিত হয়েছে ৯৮৮৩টি ও ৪৪৮৮টি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জনের হার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিকে রংপুর বিভাগ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে, যার অর্জন ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

এছাড়া দেশসেরা জেলা প্রশাসক হয়েছেন ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পটুয়াখালী জেলা ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ কাজ করেছে। দেশসেরা হয়েছে এ জেলার গলাচিপা উপজেলাও।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জেলা ক্যাটাগরিতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ কাজ করে প্রথম হয়েছে পটুয়াখালী জেলা। এ জেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬৯২টি, তারা করেছে ২১৯৯টি। মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৩০টি, তারা করেছে ১০৬৭টি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে পটুয়াখালীর জেলার অর্জন ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে তাদের অর্জন ১০৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

জুলাই মাসে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জন হয় ৬৩৭টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি, অর্জিত হয়েছিল ৩১৮টি। শতাংশের হিসাবে অর্জন ২৭৪ শতাংশ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন গড়ে ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ; যেটা ছিল সারা দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে। উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে যাদের অর্জন শতকরা ১৩০ শতাংশ।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, দেশসেরা হওয়ায় আমি আনন্দিত। জেলা প্রশাসক স্যার ও ডিডিএলজি স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের সঠিক নির্দেশনা ও দূরদর্শিতায় এ ফলাফল সম্ভব হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এ ক্রেডিট পুরো জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল এটি। একেবারে, রুট লেভেলের গ্রাম পুলিশ থেকে শুরু করে ডিডিএলজি সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন। আমি সত্যিই আনন্দিত। একজন পেশাদার আমলা হিসেবে এভাবেই যেন সরকারের দেওয়া সব দায়িত্ব ভবিষ্যতেও পালন করতে পারি, সবার কাছে সে বিষয়ে দোয়ার প্রত্যাশী।

বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও পরিচালক, স্থানীয় সরকার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আহসান হাবিব বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে সারা দেশের মধ্যে বরিশাল বিভাগ, পটুয়াখালী জেলা ও গলাচিপা উপজেলা প্রথম হওয়া সত্যি সুখের খবর। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে এ অঞ্চলের মানুষের আগ্রহ কম। সেই জায়গা থেকে ডিসি, ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক সহযোগিতায় আমরা এ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে শতভাগ সফলতা আনতে প্রতি মিটিংয়েই জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয় বলেও জানান মো. আহসান হাবীব।

নিউজটি শেয়ার করুন

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা বিভাগ বরিশাল, জেলা পটুয়াখালী

০৬:৪৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই মাসে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে বরিশাল বিভাগ প্রথম স্থান অধিকার করেছে। নিবন্ধন কার্যক্রম লক্ষ্যমাত্রার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ কাজ করে তারা এক নম্বরে চলে এসেছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল যথাক্রমে ১৪৮৯৬টি ও ৫০৬৪টি; যার মধ্যে অর্জিত হয়েছে ৯৮৮৩টি ও ৪৪৮৮টি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জনের হার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিকে রংপুর বিভাগ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে, যার অর্জন ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

এছাড়া দেশসেরা জেলা প্রশাসক হয়েছেন ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পটুয়াখালী জেলা ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ কাজ করেছে। দেশসেরা হয়েছে এ জেলার গলাচিপা উপজেলাও।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জেলা ক্যাটাগরিতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ কাজ করে প্রথম হয়েছে পটুয়াখালী জেলা। এ জেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬৯২টি, তারা করেছে ২১৯৯টি। মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৩০টি, তারা করেছে ১০৬৭টি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে পটুয়াখালীর জেলার অর্জন ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে তাদের অর্জন ১০৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

জুলাই মাসে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জন হয় ৬৩৭টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি, অর্জিত হয়েছিল ৩১৮টি। শতাংশের হিসাবে অর্জন ২৭৪ শতাংশ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন গড়ে ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ; যেটা ছিল সারা দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে। উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে যাদের অর্জন শতকরা ১৩০ শতাংশ।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, দেশসেরা হওয়ায় আমি আনন্দিত। জেলা প্রশাসক স্যার ও ডিডিএলজি স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের সঠিক নির্দেশনা ও দূরদর্শিতায় এ ফলাফল সম্ভব হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এ ক্রেডিট পুরো জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল এটি। একেবারে, রুট লেভেলের গ্রাম পুলিশ থেকে শুরু করে ডিডিএলজি সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন। আমি সত্যিই আনন্দিত। একজন পেশাদার আমলা হিসেবে এভাবেই যেন সরকারের দেওয়া সব দায়িত্ব ভবিষ্যতেও পালন করতে পারি, সবার কাছে সে বিষয়ে দোয়ার প্রত্যাশী।

বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও পরিচালক, স্থানীয় সরকার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আহসান হাবিব বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে সারা দেশের মধ্যে বরিশাল বিভাগ, পটুয়াখালী জেলা ও গলাচিপা উপজেলা প্রথম হওয়া সত্যি সুখের খবর। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে এ অঞ্চলের মানুষের আগ্রহ কম। সেই জায়গা থেকে ডিসি, ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক সহযোগিতায় আমরা এ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে শতভাগ সফলতা আনতে প্রতি মিটিংয়েই জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয় বলেও জানান মো. আহসান হাবীব।