বরিশাল ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
১৮ টাকায় কেনা বায়োস্কোপে ৫০ বছর কেটে গেল আগৈলঝাড়ার প্রবীণ শিল্পী সর্বানন্দের গৌরনদীতে খাল পুনঃখননে অব্যবহৃত ৭৬ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত ‍দিলেন ইউএনও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত চাহিদার অর্ধেকও মিলছে না বিদ্যুৎ, আগৈলঝাড়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, গ্রেফতার ২ বরিশালের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ নিখোঁজের এক বছর পর কেয়ারটেকার-পাহারাদার গ্রেপ্তার বিএম কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের নতুন সভাপতি মারজান, সম্পাদক অর্ণব বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র প্রদর্শনী বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৩ বরিশাল সিটি করপোরেশনে চাকরি পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের অভি

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

Agailjhara Post
  • ০৯:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 45

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।

এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

০৯:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি হিসেবে কারাভোগের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই শিক্ষক শিক্ষাছুটিতে আছেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর আওতায় দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।

এ প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(২) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) অনুযায়ী তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকায় এক নারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাও ঠিক হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ওই নারীকে মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং পরে কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পুলিশের দাখিল করা এজাহারে মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি বিধান অনুযায়ী যা হবার তাই হবে। অভিযোগ এসেছে যেহেতু এটা ফৌজদারি মামলা সেটা পুলিশ দেখবা। এটা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেটা দেখতে পারে সেটা চাকরি যে শৃঙ্খলার সাথে সংগতি পূর্ণ কিনা। সেজন্য তাকে আইন অনুযায়ী আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই ঘটনায় অভিযোগকারী নারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি।