বরিশাল ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
পদ্মা সেতুতে বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচল যাত্রীবোঝাই বাস, ঢালে বাস উল্টে আহত ১০ বরিশাল বিভাগে বছরে ৩০ হাজার মানুষ চোখের ছানিতে আক্রান্ত পটুয়াখালীতে সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা আটক শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালনা কমিটিতে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু ‘বাড়িতে গিয়ে দেখি উঠানে স্বামীর লাশ, বুকে দুটি গুলি’ আইফোন কিনতে এক লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করলেন বাবা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস-লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৫ আগৈলঝাড়ায় স্বামীর নির্যাতনের অভিযোগ, প্রাণ বাঁচাতে এক মাসের শিশুকে রেখেই ঘর ছাড়লেন গৃহবধূ বরিশালে ১ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

বরিশাল বিভাগে বছরে ৩০ হাজার মানুষ চোখের ছানিতে আক্রান্ত

Agailjhara Post
  • ১০:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 5

বরিশাল বিভাগে বছরে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চোখের ছানি সমস্যায় আক্রান্ত হয়। অথচ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া বিভাগের অন্য কোনো সরকারি হাসপাতালে চক্ষু বিভাগে জুনিয়র ও সিনিয়র কনসালটেন্ট নেই। ফলে বিভাগের বিপুলসংখ্যক মানুষ চক্ষুসেবা নিতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

রবিবার বরিশাল নগরীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারের হলরুমে এব সভায় এসব কথা বলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার। দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় এ সভা আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. রেফায়েতুল হায়দার বলেন, বরিশাল বিভাগে প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চক্ষু চিকিৎসক সংকট থাকায় সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে চক্ষুসেবা পৌঁছে দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০’ প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বরগুনা ও ঝালকাঠি ছাড়া বিভাগের অন্যান্য জেলায়ও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হবে।’ পাশাপাশি শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে চক্ষুসেবা কেন্দ্রগুলোতে ভিশন স্ক্রিনিং বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য ক্লাস্টার পরিচালক মুসাব্বির আলম জানান, ২০১২ সাল থেকে ফাউন্ডেশনটি বরিশাল বিভাগে কাজ করছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের সহযোগিতায় বিভাগের প্রায় ৬০ হাজার ছানি রোগীর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে বরিশাল জেলা ছাড়া বিভাগের বাকি পাঁচ জেলায় ছানি দূরীকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

সভায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও প্রফেসর ডা. মো. আনোয়ার হোসেন এবং চক্ষু বিভাগের প্রধান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

এ সময় বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা মেডিকেল অফিসার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশাল বিভাগে বছরে ৩০ হাজার মানুষ চোখের ছানিতে আক্রান্ত

১০:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

বরিশাল বিভাগে বছরে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চোখের ছানি সমস্যায় আক্রান্ত হয়। অথচ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া বিভাগের অন্য কোনো সরকারি হাসপাতালে চক্ষু বিভাগে জুনিয়র ও সিনিয়র কনসালটেন্ট নেই। ফলে বিভাগের বিপুলসংখ্যক মানুষ চক্ষুসেবা নিতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

রবিবার বরিশাল নগরীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারের হলরুমে এব সভায় এসব কথা বলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার। দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় এ সভা আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. রেফায়েতুল হায়দার বলেন, বরিশাল বিভাগে প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চক্ষু চিকিৎসক সংকট থাকায় সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে চক্ষুসেবা পৌঁছে দিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০’ প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বরগুনা ও ঝালকাঠি ছাড়া বিভাগের অন্যান্য জেলায়ও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হবে।’ পাশাপাশি শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে চক্ষুসেবা কেন্দ্রগুলোতে ভিশন স্ক্রিনিং বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য ক্লাস্টার পরিচালক মুসাব্বির আলম জানান, ২০১২ সাল থেকে ফাউন্ডেশনটি বরিশাল বিভাগে কাজ করছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের সহযোগিতায় বিভাগের প্রায় ৬০ হাজার ছানি রোগীর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে বরিশাল জেলা ছাড়া বিভাগের বাকি পাঁচ জেলায় ছানি দূরীকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

সভায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও প্রফেসর ডা. মো. আনোয়ার হোসেন এবং চক্ষু বিভাগের প্রধান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

এ সময় বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন, উপজেলা মেডিকেল অফিসার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।