বরিশাল ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আইফোন কিনতে এক লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করলেন বাবা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস-লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৫ আগৈলঝাড়ায় স্বামীর নির্যাতনের অভিযোগ, প্রাণ বাঁচাতে এক মাসের শিশুকে রেখেই ঘর ছাড়লেন গৃহবধূ বরিশালে ১ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় র‍্যাবের জালে আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘প্রথম ফ্যাসিস্ট বাহিনী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়’ ঘোষণা বিশ্বজয়ী হাফেজ জাকারিয়াকে এমপি মাসুদের সংবর্ধনা, অর্ধলাখ টাকা উপহার নেপালে বন্যা-ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, এখনো নিখোঁজ ২ হাজারেরও বেশি মানুষ বরিশালে দিনের অর্ধেক সময়ই থাকছে না বিদ্যুৎ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের

Agailjhara Post
  • ১২:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 5

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশ্রাফুল হকের পদত্যাগ দাবি করেছেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। তারা শিক্ষককে ওই বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। শিক্ষায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগ দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার দুপুরে বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চান। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজ আশ্রাফুল হক দাবি করেছেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের পিডি হওয়ায় যাঁদের স্বার্থে আঘাত লেগেছে, তাঁদের ইন্ধনে এই আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছে।

ববির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশ্রাফুল হক বলেন, তিনি উন্নয়ন কার্যক্রমের পিডি হওয়ায় একটি পক্ষের স্বার্থে আঘাত লেগেছে। তাঁদের ইন্ধনে এই আন্দোলন ঘটানো হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি ও নিয়ম অনুযায়ী আমাকে চেয়ারম্যান ও ডিনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এ বিভাগের সবচেয়ে বড় সমস্যা ক্লাসরুম ও শিক্ষকসংকট। তাতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত একাডেমিক সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে ভুলভাবে বোঝানো হয়েছে বলে তার দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের

১২:৫৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশ্রাফুল হকের পদত্যাগ দাবি করেছেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। তারা শিক্ষককে ওই বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। শিক্ষায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগ দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার দুপুরে বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চান। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজ আশ্রাফুল হক দাবি করেছেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের পিডি হওয়ায় যাঁদের স্বার্থে আঘাত লেগেছে, তাঁদের ইন্ধনে এই আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছে।

ববির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষাব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশ্রাফুল হক বলেন, তিনি উন্নয়ন কার্যক্রমের পিডি হওয়ায় একটি পক্ষের স্বার্থে আঘাত লেগেছে। তাঁদের ইন্ধনে এই আন্দোলন ঘটানো হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি ও নিয়ম অনুযায়ী আমাকে চেয়ারম্যান ও ডিনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এ বিভাগের সবচেয়ে বড় সমস্যা ক্লাসরুম ও শিক্ষকসংকট। তাতে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত একাডেমিক সেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে ভুলভাবে বোঝানো হয়েছে বলে তার দাবি।