বরিশাল ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
বরিশালে দিনের অর্ধেক সময়ই থাকছে না বিদ্যুৎ বরিশালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর মাউশির বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক হলেন জাকির হোসেন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত, সড়কপথে ভোলা থেকে যাওয়া যাবে বরিশাল-ঢাকা বরিশাল বিএম কলেজ: বিসিএস শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে অধ্যাপ‌ক আজাদের পদায়ন বাতিল বরগুনায় প্লাস্টিকের ব্যাগে জীবিত উদ্ধার নবজাতকের ঠাঁই হলো আগৈলঝাড়ার ছোটমণি নিবাসে আগৈলঝাড়ায় ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: আদালতে ৬০ বছরের আসামির আত্মসমর্পণ গৌরনদীতে বেদে পল্লীতে দু’পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলা, নারীসহ আহত ১৫ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় ৬০ জন শনাক্ত, গ্রেপ্তার ৩২

Agailjhara Post
  • ০৮:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 146

এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৬০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ৪৩ জন এবং তদন্তে শনাক্ত করা হয়েছে আরও ১৭ জনকে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বরিশাল জেলা পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান।

পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুলাই একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ। থানার হাজতে থাকা অবস্থায় তিনি লোহার দরজায় আঘাত করে অসুস্থতার ভান করেন। পরে তাঁকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে ২০০ থেকে ৩০০ জনের একটি দল আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায় বলে জানায় পুলিশ।

হামলাকারীরা থানায় ঢুকে কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে মারধর করে আহত করেন। এ সময় থানার একটি ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন।

জেলা পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রথমে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে তদন্তে আরও ১৭ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৬০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দ্রুত অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, গুজবের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বরিশালের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় ৬০ জন শনাক্ত, গ্রেপ্তার ৩২

০৮:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৬০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ৪৩ জন এবং তদন্তে শনাক্ত করা হয়েছে আরও ১৭ জনকে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বরিশাল জেলা পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান।

পুলিশ সুপার জানান, গত ৮ জুলাই একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ। থানার হাজতে থাকা অবস্থায় তিনি লোহার দরজায় আঘাত করে অসুস্থতার ভান করেন। পরে তাঁকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে ২০০ থেকে ৩০০ জনের একটি দল আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায় বলে জানায় পুলিশ।

হামলাকারীরা থানায় ঢুকে কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে মারধর করে আহত করেন। এ সময় থানার একটি ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন।

জেলা পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রথমে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পরে তদন্তে আরও ১৭ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৬০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দ্রুত অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, গুজবের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বরিশালের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।