ভাঙ্গায় পাঁচ গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১
- ০২:১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
- / 43
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসেওয়েতে পাঁচ গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবৃদ্ধ হয়ে সুমন শেখ (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ভাঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন সেখ ও সামেলা বেগমের ছেলে।
এদিকে সুমন হত্যার বিচার দাবিতে বুধবার বেলা ১১টার সময় ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় আজ বুধবার সকাল থেকে মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরবর্তী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
নিহত সুমনের মা সামেলা বেগম বলেন, সজীব মাতুব্বর ও আইয়ুব মাতুব্বরসহ আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের ফাসিঁ চাই।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, ৪-৫ মাস আগে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের ইসমাইল মুন্সির ভাগিনা এবাদুলসহ ৩-৪ জন ছেলেকে ধরে নিয়ে পৌরসভার সামনে মারধর করে হাসামদিয়া গ্রামের ফয়সাল সর্দারসহ কয়েকজন যুবক। এরপর বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়।
পরবর্তীতে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে এবাদুল হাসামদিয়া ব্রিজের নিকট ঘুরতে গেলে আবারও মারধর করে হাসামদিয়া গ্রামের ফয়সাল সর্দারসহ তার লোকজন। খবর পেয়ে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের লোকজন এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা কুমার নদের ব্রিজের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়। অপরদিকে সজীব মাতুব্বরের নেতৃত্বে হাসামদিয়া গ্রামের লোকজনও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হন। এরপর মহাসড়কের ওপর টর্স লাইট জ্বালিয়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষে দুপক্ষের মধ্যে যোগ দেয় পাঁচ গ্রামের মানুষ। এতে তিন ঘণ্টা ধরে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
ভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে সুমন শেখ নামে এক যুবক নিহত হয়। এ ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। সকাল থেকে মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুমন হত্যার বিচার দাবিতে কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছিল। আমরা তাদেরকে বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেই।


























