বরিশাল ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আগৈলঝাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা বরিশালে মানবপাচারের দায়ে সৌদি প্রবাসী ৩ ভাই ও এক বোনের কারাদণ্ড বরিশালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার সেই রোহিঙ্গা তরুণীর ৩ বছরের কারাদণ্ড শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ বরিশালের ৬ লেন সড়কসহ বড় উন্নয়ন দাবিতে মিলল প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের অভিভাবকত্বে এতিম কন্যার বিয়ে গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রী, অংশ নিয়েছেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বাবুগঞ্জের জঙ্গলে সেনাবাহিনীর মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী, দেখলেন অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা বরিশাল নগরীর সাগরদীতে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ বরিশালে শিক্ষার্থীদের আবদারে গাড়ি থামালেন প্রধানমন্ত্রী, নিজেই তুললেন সেলফি

আগৈলঝাড়ায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা

Agailjhara Post
  • ০২:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 471

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।

বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারভূক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিচ শিকদারের ছেলে সিন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদি হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার উপর ফেলে রেখে যায়।

নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, সান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার ও জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদি হয়ে চারজনের নামোল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করার পর পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভূক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিচ শিকদারের ছেলে সান্ত শিকদার (২২) ও মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আগৈলঝাড়ায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা

০২:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।

বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহারভূক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিচ শিকদারের ছেলে সিন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদি হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার উপর ফেলে রেখে যায়।

নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, সান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার ও জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।

আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদি হয়ে চারজনের নামোল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করার পর পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভূক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিচ শিকদারের ছেলে সান্ত শিকদার (২২) ও মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।