বরিশাল ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
১৮ টাকায় কেনা বায়োস্কোপে ৫০ বছর কেটে গেল আগৈলঝাড়ার প্রবীণ শিল্পী সর্বানন্দের গৌরনদীতে খাল পুনঃখননে অব্যবহৃত ৭৬ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত ‍দিলেন ইউএনও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত চাহিদার অর্ধেকও মিলছে না বিদ্যুৎ, আগৈলঝাড়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, গ্রেফতার ২ বরিশালের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ নিখোঁজের এক বছর পর কেয়ারটেকার-পাহারাদার গ্রেপ্তার বিএম কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের নতুন সভাপতি মারজান, সম্পাদক অর্ণব বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র প্রদর্শনী বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৩ বরিশাল সিটি করপোরেশনে চাকরি পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের অভি

চাহিদার অর্ধেকও মিলছে না বিদ্যুৎ, আগৈলঝাড়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

Agailjhara Post
  • ০৩:০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 42

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় গত কয়েক দিন ধরে চাহিদার তুলনায় মাত্র ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। দিন-রাতজুড়ে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন উপজেলার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে যেমন বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, তেমনি রাতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আগৈলঝাড়া উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৩ মেগাওয়াট। অথচ এ সময়ে জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে ব্যাপক লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

এদিকে অফ-পিক সময়ে, অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা থাকে প্রায় ৮ মেগাওয়াট। কিন্তু এ সময়েও সরবরাহ মিলছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট। ফলে দিনের বেলাতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

আগৈলঝাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া গেলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন আগৈলঝাড়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না হলে জনজীবনের পাশাপাশি শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কার্যক্রম আরও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাহিদার অর্ধেকও মিলছে না বিদ্যুৎ, আগৈলঝাড়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

০৩:০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় গত কয়েক দিন ধরে চাহিদার তুলনায় মাত্র ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। দিন-রাতজুড়ে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন উপজেলার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে যেমন বারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, তেমনি রাতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও বিঘ্ন ঘটছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আগৈলঝাড়া উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৩ মেগাওয়াট। অথচ এ সময়ে জাতীয় গ্রিড থেকে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে ব্যাপক লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

এদিকে অফ-পিক সময়ে, অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা থাকে প্রায় ৮ মেগাওয়াট। কিন্তু এ সময়েও সরবরাহ মিলছে মাত্র ৪ মেগাওয়াট। ফলে দিনের বেলাতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

আগৈলঝাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া গেলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন আগৈলঝাড়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না হলে জনজীবনের পাশাপাশি শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কার্যক্রম আরও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।