সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য গত ২৪ অক্টোবর রোনান সুলিভানকে নিয়ে ২৮ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করে বাফুফে। কিন্তু মাঠে নামার আগেই চোটে ছিটকে গেছেন রোনান।
জাতীয় দল সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্র আজ প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট জোসেফস হকসের হয়ে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পান রোনান। শুরুতে চিকিৎসকেরা তাঁকে বিশ্রামে থাকতে বলেন। তবে সম্প্রতি পরীক্ষা করে জানা গেছে, তাঁর চোট বেশ গুরুতর। পুরোপুরি সুস্থ হতে তাঁর সাত থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তাই আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া সাফে খেলতে পারবেন না তিনি। ডিসেম্বরের আগে তাঁর মাঠে ফেরার সম্ভাবনাও ক্ষীণ।
রোনান গত এপ্রিলে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপাজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ওই টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স করে জাতীয় দলের কোচ টমাস ডুলির নজর কাড়েন এই তরুণ। তবে চোটের কারণে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক আপাতত পিছিয়ে গেল।
রোনানের ছিটকে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। বিশেষ করে আক্রমণভাগের নম্বর নাইন পজিশনে এমনিতেই খেলোয়াড়সংকটে ভুগছেন কোচ ডুলি। এবার রোনানকে ছাড়াই দল সাজাতে হবে তাঁকে। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ দলের আরেক সদস্য ও রোনানের ভাই ডেকলার সুলিভান অবশ্য প্রাথমিক দলেই জায়গা পাননি।
এদিকে জাতীয় দলের ক্যাম্পেও পুরোপুরি স্বস্তি নেই। বিশ্বনাথ ঘোষ এখনো শতভাগ ফিট নন। জ্বর থেকে মাত্র সেরে উঠেছেন শেখ মোরছালিন।
সাফের প্রথম ম্যাচে ৫ নভেম্বর ভুটানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলীকেও পাচ্ছে না স্বাগতিকরা। তাঁদের দুজনেরই ৯ নভেম্বরের দিকে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা।
এ ছাড়া দলে ডাক পাওয়া ইতালিপ্রবাসী ফাহামিদুল ইসলাম এখনো ক্যাম্পে যোগ দেননি। আগামীকাল তাঁর অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা আছে। এমন পরিস্থিতিতে দলের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করেই ভাবতে হচ্ছে বাংলাদেশ কোচকে।
৫ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে ছয় দলের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে খেলবে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। ১৪ নভেম্বর দুটি সেমিফাইনাল এবং ১৭ নভেম্বর ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই।
সূত্র: প্রথম আলো

