বরিশাল ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আগৈলঝাড়ায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতা হত্যায় ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার পান দুই এএসআই চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: তিন মহিষের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক ২৭ আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি আগৈলঝাড়ায় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন এই সেই আইফোন, যার জন্য সন্তান বিক্রি করেন বাবা পদ্মা সেতুতে বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচল যাত্রীবোঝাই বাস, ঢালে বাস উল্টে আহত ১০ বরিশাল বিভাগে বছরে ৩০ হাজার মানুষ চোখের ছানিতে আক্রান্ত পটুয়াখালীতে সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা আটক শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালনা কমিটিতে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু

চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: তিন মহিষের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক ২৭

Agailjhara Post
  • ০৭:২৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 9

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীবেষ্টিত দুর্গম চরে খাবারে বিষক্রিয়ায় ৩০টি মহিষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি মহিষের মৃত্যু হয়েছে এবং বাকি মহিষগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার লালচরে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে মাঠে চড়াতে যাওয়া ঘাসে বা খাদ্যে বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে এই ‘নৃশংসতা’ চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

জানা গেছে, বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে সরকারি খাস জমিতে মহিষ চড়ান স্থানীয় খামারিরা। তারা এখানে কোনো প্রকার অর্থ ছাড়াই মহিষ চড়াতেন। হঠাৎ করে তৈরি হলো নতুন নিয়ম। চরের খাস জমিতে মহিষ চড়াতে গেলে মাসে চাঁদা হিসেবে খামারিদের দিতে হবে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা। আর টাকা না দিলে মহিষগুলোকে ঘাস খাওয়াতে দেওয়া হয় না বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বাধ্য হয়েই মাসে মহিষ প্রতি ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের জন্য দিতে হচ্ছে মাসে ৯৫৬০০টাকা। এতে লোকসানে পড়ছেন খামারিরা। আর নতুন এই চাঁদা প্রথার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাইনুদ্দিন নামে এক সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

এদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সাবেক ছাত্রদল নেতা মাইনুদ্দিন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, জেলেদের মাছ ধরার চাই ভেঙে ফেলে মহিষগুলো সেই জরিমানা হিসেবে টাকা নেওয়া হয়েছে; এ বিষয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বসেছে বলেও জানান মাইনুদ্দিন। সেখানে টাকাগুলো তার কাছেই জমা রাখা হয় এমনকি নিজের মহিষের জন্যও টাকা দিয়েছেন বলে দাবি তার।

মহিষ পালকদের দাবি, জেলেদের সাথে আমাদের কথা হয়েছে; তাদের মাছ ধরার কোনো চাই ভাঙেনি এমনকি কোনো টাকাও দেওয়া হয়নি জেলেদের।

চাঁদা তোলার ঘটনা কেন্দ্র করে বিষ দেওয়া হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলার ওসি শোনিত কুমার গায়েন গণমাধ্যমকে বলেন, চাঁদা তুলার বিষয় কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে কিনা আমরা এখনো জানতে পারিনি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর স্যাম্পল সংগ্রহ করেছে বিস্তারিত তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।

মহিষপ্রতি ২০০ টাকা চাঁদা নেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ: তিন মহিষের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক ২৭

০৭:২৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীবেষ্টিত দুর্গম চরে খাবারে বিষক্রিয়ায় ৩০টি মহিষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে তিনটি মহিষের মৃত্যু হয়েছে এবং বাকি মহিষগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার লালচরে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে মাঠে চড়াতে যাওয়া ঘাসে বা খাদ্যে বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে এই ‘নৃশংসতা’ চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

জানা গেছে, বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে সরকারি খাস জমিতে মহিষ চড়ান স্থানীয় খামারিরা। তারা এখানে কোনো প্রকার অর্থ ছাড়াই মহিষ চড়াতেন। হঠাৎ করে তৈরি হলো নতুন নিয়ম। চরের খাস জমিতে মহিষ চড়াতে গেলে মাসে চাঁদা হিসেবে খামারিদের দিতে হবে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা। আর টাকা না দিলে মহিষগুলোকে ঘাস খাওয়াতে দেওয়া হয় না বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বাধ্য হয়েই মাসে মহিষ প্রতি ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের জন্য দিতে হচ্ছে মাসে ৯৫৬০০টাকা। এতে লোকসানে পড়ছেন খামারিরা। আর নতুন এই চাঁদা প্রথার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাইনুদ্দিন নামে এক সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।

এদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সাবেক ছাত্রদল নেতা মাইনুদ্দিন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, জেলেদের মাছ ধরার চাই ভেঙে ফেলে মহিষগুলো সেই জরিমানা হিসেবে টাকা নেওয়া হয়েছে; এ বিষয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বসেছে বলেও জানান মাইনুদ্দিন। সেখানে টাকাগুলো তার কাছেই জমা রাখা হয় এমনকি নিজের মহিষের জন্যও টাকা দিয়েছেন বলে দাবি তার।

মহিষ পালকদের দাবি, জেলেদের সাথে আমাদের কথা হয়েছে; তাদের মাছ ধরার কোনো চাই ভাঙেনি এমনকি কোনো টাকাও দেওয়া হয়নি জেলেদের।

চাঁদা তোলার ঘটনা কেন্দ্র করে বিষ দেওয়া হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল উপজেলার ওসি শোনিত কুমার গায়েন গণমাধ্যমকে বলেন, চাঁদা তুলার বিষয় কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে কিনা আমরা এখনো জানতে পারিনি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর স্যাম্পল সংগ্রহ করেছে বিস্তারিত তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে।

মহিষপ্রতি ২০০ টাকা চাঁদা নেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।