বরিশাল ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
আগৈলঝাড়ায় ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি, ৩৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ গৌরনদীতে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে বাইক আরোহী যুবক নিহত গৌরনদীতে রাতের আঁধারে ৮০টি কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, ক্ষতি অর্ধ লক্ষাধিক টাকা দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পায়নে নতুন দিগন্ত বরিশাল ইপিজেড, থামাবে ঢাকামুখী স্রোত ৬ মাস ধরে বন্ধ একমাত্র সি-ট্রাক, জীবনঝুঁকি নিয়ে মেঘনা পাড়ি দিচ্ছেন মনপুরাবাসী ভোলায় এক ইলিশের দাম ৯ হাজার টাকা বরিশালে নিখোঁজ বৃদ্ধের পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী আটক কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৫৬ ফুট লম্বা মৃত তিমি রেলপথসহ ৬ দফা দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ভোলায় ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে মায়ের মৃত্যু

বরিশালে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

Agailjhara Post
  • ০৫:২৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 23

বরিশাল মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন বিসিসির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, অভিযানকালে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৮০০ পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার রাসেল মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা বাদশা হাওলাদার এবং মা মিনারা বেগম।

পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত আঁখি (৩২) নামে আরেক অভিযুক্ত অভিযানের সময় পালিয়ে যায়। তিনি দক্ষিণ পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা। পলাতক ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, বরিশাল মহানগরীতে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার পলাতক সহযোগীকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন কিংবা সরবরাহের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরো বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি। তাই বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশালে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

০৫:২৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বরিশাল মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন বিসিসির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানায়, অভিযানকালে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৮০০ পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার রাসেল মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা বাদশা হাওলাদার এবং মা মিনারা বেগম।

পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত আঁখি (৩২) নামে আরেক অভিযুক্ত অভিযানের সময় পালিয়ে যায়। তিনি দক্ষিণ পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা। পলাতক ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ বলেন, বরিশাল মহানগরীতে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার পলাতক সহযোগীকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন কিংবা সরবরাহের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরো বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি। তাই বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।