বরিশালে নিখোঁজ বৃদ্ধের পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার, স্ত্রী আটক
- ০৮:৩৮:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
- / 23
বরিশালের মুলাদীতে নিখোঁজের তিন দিন পর মো. হারুন হাওলাদার (৫৯) নামে এক বৃদ্ধের পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরমালিয়া গ্রামে নিহতের নিজ বসতঘরের পেছন থেকে মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগমকে (৪৬) আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুন থেকে হারুন হাওলাদার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। তার স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাচ্ছিলেন না। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোস্তফা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মুলাদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
সোমবার সকালে হারুন হাওলাদারের বাড়ির পেছনে একটি নির্দিষ্ট স্থানে মাটি আলগা অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। স্থানটি বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢাকা ছিল। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তারা কঞ্চি সরিয়ে কিছুটা মাটি খুঁড়তেই মরদেহের একাংশ দেখতে পান।
খবর পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি খুঁড়ে হারুন হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের স্বজনদের দাবি, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ এবং নিহতের স্ত্রী সেলিনা বেগমের পরকীয়া প্রেমের জেরেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই স্ত্রী সেলিনা বেগমের কথাবার্তা ও আচরণে অসংলগ্নতা দেখা যায়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার সোহেল রানা জানান, ঘটনাস্থল থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় নিখোঁজ ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রীকে আটক করে হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।’






















